বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য জার্মানিতে উচ্চ শিক্ষার
সুযোগ বাড়ছে। গবেষক, প্রকৌশল বিজ্ঞান এবং বিভিন্ন বিষয়ে স্নাতক বা
ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তি হওয়ার সুযোগ থাকছে। জার্মান একাডেমিক এক্সচেঞ্জ
সার্ভিসের (ডিএএডি) আওতায় শিক্ষার্থীরা স্কলারশিপ পাবেন।
সোমবার বিকালে রাজধানীর বারিধারাস্থ জামান অ্যাম্বাসীতে এক সংবাদ
সম্মেলনে এ সব তথ্য জানান বাংলাদেশস্থ জার্মান রাষ্ট্রদূত পিটার পারেন
হোল্টজ।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বাংলাদেশ-জার্মানের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিরাজমান। সে কারণে জার্মান বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের বিশেষ উচ্চশিক্ষায় বিশেষ সুযোগ সৃষ্টি করছে। দু’দেশের মধ্যে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও উন্নয়ন পলিসিগত সহযোগিতা বাড়লে দু’দেশের সম্পর্ক দৃঢ় হবে। এ জন্য ভিসা সহজীকরণেরও উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ থেকে জার্মানিতে উচ্চ শিক্ষার হার ক্রমাগত বাড়ছে। ২০১৪ সালে ছিল ২ হাজার ২৭৭ জন, ২০১৫ সালে ছিল ২ হাজার ৫১৪ জন, ২০১৬ সালে ছিল ২ হাজার ৬২৩ জন, ২০১৭ সালে ছিল ২ হাজার ৭৬৪ জন এবং ২০১৮ সালে ছিল ৩ হাজার ২২০ জন। বৃদ্ধির হার ৩০ শতাংশ।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, জার্মানিতে দিন দিন বিদেশি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বাড়ছে। ২০১৪-১৫ সেশনে মোট শিক্ষার্থীর মধ্যে বিদেশি শিক্ষার্থী ছিল ১১ দশমিক ৯১ শতাংশ, ২০১৫-১৬ সেশনে বেড়ে দাঁড়ায় ১২ দশমিক ৩৪ শতাংশ, ২০১৬-১৭ সেশনে বেড়ে দাঁড়ায় ১২ দশমিক ৭৮ শতাংশ, ২০১৭-১৮ সেশনে বেড়ে দাঁড়ায় ১৩ দশমিক ১৭ শতাংশ এবং ২০১৮-১৯ সেশনে বেড়ে দাঁড়ায় ১৩ দশমিক ৭৬ শতাংশ।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ডিএএডির বাংলাদেশ প্রতিনিধি খন্দকার মুজাদ্দিদ হায়দার, মোহাম্মদ সাহাদাত হোসাইন, মারুফা আকতার প্রমুখ।
যুগান্তর।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বাংলাদেশ-জার্মানের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিরাজমান। সে কারণে জার্মান বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের বিশেষ উচ্চশিক্ষায় বিশেষ সুযোগ সৃষ্টি করছে। দু’দেশের মধ্যে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও উন্নয়ন পলিসিগত সহযোগিতা বাড়লে দু’দেশের সম্পর্ক দৃঢ় হবে। এ জন্য ভিসা সহজীকরণেরও উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ থেকে জার্মানিতে উচ্চ শিক্ষার হার ক্রমাগত বাড়ছে। ২০১৪ সালে ছিল ২ হাজার ২৭৭ জন, ২০১৫ সালে ছিল ২ হাজার ৫১৪ জন, ২০১৬ সালে ছিল ২ হাজার ৬২৩ জন, ২০১৭ সালে ছিল ২ হাজার ৭৬৪ জন এবং ২০১৮ সালে ছিল ৩ হাজার ২২০ জন। বৃদ্ধির হার ৩০ শতাংশ।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, জার্মানিতে দিন দিন বিদেশি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বাড়ছে। ২০১৪-১৫ সেশনে মোট শিক্ষার্থীর মধ্যে বিদেশি শিক্ষার্থী ছিল ১১ দশমিক ৯১ শতাংশ, ২০১৫-১৬ সেশনে বেড়ে দাঁড়ায় ১২ দশমিক ৩৪ শতাংশ, ২০১৬-১৭ সেশনে বেড়ে দাঁড়ায় ১২ দশমিক ৭৮ শতাংশ, ২০১৭-১৮ সেশনে বেড়ে দাঁড়ায় ১৩ দশমিক ১৭ শতাংশ এবং ২০১৮-১৯ সেশনে বেড়ে দাঁড়ায় ১৩ দশমিক ৭৬ শতাংশ।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ডিএএডির বাংলাদেশ প্রতিনিধি খন্দকার মুজাদ্দিদ হায়দার, মোহাম্মদ সাহাদাত হোসাইন, মারুফা আকতার প্রমুখ।
যুগান্তর।

Comments
Post a Comment